খুলনার কয়রায় উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে মসজিদের সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুর ২টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. রবিউল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দারুসসালাম জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি। খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদের বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মসজিদ সংস্কারের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের অর্থ উত্তোলন ও বাস্তবায়নের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে সভাপতি এবং আবু বকর সিদ্দিক মালীকে সদস্যসচিব করে সোনালী ব্যাংক, কয়রা শাখায় তার হিসাবে বরাদ্দের চেক জমা দেওয়া হয়।
তিনি জানান, গত ২৮ জুন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৯ জুন ব্যাংক থেকে উত্তোলনকৃত অর্থ দিয়ে সংস্কারকাজের জন্য প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী ক্রয় করা হয়। বর্তমানে মসজিদের সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে এবং প্রকল্প-সংক্রান্ত তথ্যসম্বলিত সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে।
রবিউল ইসলাম অভিযোগ করেন, একটি মহল তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি হিসেবে এলাকার মানুষের সেবা করে আসছেন। সম্প্রতি তাকে উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) পদপ্রার্থী ঘোষণা করার পর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং তার সম্মানহানির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ জাতীয় আরো খবর..